শিরোনাম

দূর্গন্ধের উৎস খুঁজতে পাওয়া গেল সেনা সদস্যের লাশ !!

0
এস এম নাসির উদ্দিন(মুন্সীগঞ্জ) :    মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায়  নিখোঁজের দশ দিন পর সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত সেনা সদস্য জাহিদ হোসেনের  মৃত দেহ উপজেলার ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়ক সংলগ্ন মধ্যবাউশিয়া  এলাকার নাবিস্কো কোম্পানির একটি গাছে  ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্বার করে গজারিয়া থানা পুলিশ। গত দুইদিন যাবত দূর্গন্ধ পাচ্ছিল স্থানীয় এলাকাবাসী । বুধবার সকালে দূর্গন্ধের উৎস খুঁজতে গিয়ে বাগানের ভিতরে অজ্ঞাত এক যুবকের লাশ গাছের মধ্যে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে পুলিশ খবর দেয় স্থানীয় এলাকাবাসী। গজারিয়া থানা পুলিশ খবর পেয়ে লাশটি উদ্বার করে থানায় নিয়ে আসে। ৭ দিন আগে নিখোঁজ সদ্য সেনা সদস্য জাহিদ হোসে কে দ্রুত উদ্বারের দাবিতে জামালদি নেয়ামত শুকরিয়া শপিং কমপ্লেস্কের সামনে  স্থানীয় জনতা ও জাহিদের পরিবার মানববন্ধন করেছে। সেই জাহিদের শারীরিক গঠনের সাথে মিল পাওয়ায় জাহিদ হোসেনের পারিবারকে খবর দেয় পুলিশ। জাহিদের পিতা মাতা  লাশের পড়নের কাপড় চোপড় পায়ের জুতা দেখে নিশ্চিত হয়েছে এটি জাহিদের লাশ।   নিখোঁজ জাহিদ হোসেন উপজেলার টেঙ্গারচর গ্রামের কৃষক আবুল কালামের ছেলে।৪ ফেব্রুয়ারী বাংলাদেশ সেনাবাহিনেিত যোগদানের কথা ছিল। ৩১ জানুয়ারী সকালে শরীরচর্চার জন্য বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফেরত আসেনি। ২ ফেব্রুয়ারী গজারিয়া থানায় সাধারণ ডায়েরী করেন তার পরিবার। নিখোঁজ জাহিদের মা মনোয়ারা বলেন পারিবারিক কোন কলহ ছিল না, ছিল না তার কোন শারীরিক বা মানসিক সমস্যা। জাহিদকে হত্যা করা হয়েছে উল্লেখ্য করে হত্যাকারীদের অনতিবিলম্বে গ্রেফতার পূর্বক সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেন তিনি।
গজারিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ রইছ উদ্দিন বলেন পুলিশ লাশ উদ্বার করেছে স্বজনরা শনাক্ত করেছে । টেঙ্গারচর গ্রাম থেকে রিখোঁজ হওয়া যুবক জাহিদ হোসেনের লাশটির গায়ে আপঘাতের চিহ্ন এবং লাশটি যেভাবে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে তা দেখে প্রাথমিকভাবে মনে হয় বিষয়টি হত্যাকান্ড বলে ধারনা করছি তবে পুলিশের তদন্ত চলছে—। লাশ ময়না তদন্তে  পাঠানো হয়েছে ।
Print Friendly, PDF & Email

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.