দেড় বছর পর বিদ্যালয়ের ঘণ্টা শুনলো শিক্ষার্থীরা

0

এস এম নাসির উদ্দিন (মুন্সীগঞ্জ নিউজ ২৪ ডট নেট) #  সরকারের ঘোষণা মোতাবেক আগে থেকেই প্রস্তুত ছিল শিক্ষার্থীরা। কিন্তু দীর্ঘদিনের অভ্যাসের কারণে স্বাভাবিকভাবেই সকালে ঘুম থেকে উঠতে দেরি হওয়া।আবার ক্লাসের ফাঁকে স্কুলের মাঠে ছোটাছুটি করার দুরন্ত দিনগুলো শুরু হবে। স্কুলগামী সন্তানের পাশাপাশি বদলে যাচ্ছে মা-বাবার দৈনিক রুটিন। শিক্ষকরা পাচ্ছেন শিক্ষার্থীদের সান্নিধ্য। সহপাঠীদের সঙ্গ পাচ্ছে শিক্ষার্থীরা। গ্রামাঞ্চলের ঘরবন্দি শিশুরা পাচ্ছে মুক্তির আনন্দ। করোনা মহামারিতে বন্ধ থাকা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফের বাজল ঘণ্টা। ফের ফিরেছে শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রাণচাঞ্চল্য।

বছরের প্রথম দিনের মতো সব শিক্ষার্থীকে বরণ করে নেওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছে  গজারিয়া ভবেরচর ওয়াজীর আলী বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ।ভবেরচর ওয়াজীর আলী বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়  শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি দেখে শিক্ষকদের মধ্যেও আনন্দ দেখা গেছে।

দেড় বছর পর স্কুল খোলায় বাচ্চাদের আনন্দের শেষ নেই। অনেকদিন পর বিদ্যালয় যাওয়ার জন্য এক প্রকার নতুন উদ্যম শুরু হয়েছে, বাচ্চারা সহপাঠিদের পেয়ে মহা খুশি। দীর্ঘ দেড় বছর বিদ্যালয় বন্ধ থাকায় বাচ্চারা একেবারেই অলস হয়ে পড়েছিল। আমাদের দাবি স্বাস্থ্যবিধি মেনেই বিদ্যালয় খোলা রাখা হোক।

উপজেলা বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে  গিয়ে দেখা গেছে, বিদ্যালয়ের মূল ফটকে হাত ধোয়ার জন্য ব্যবস্থা রাখা হয়েছে সাবান এবং হ্যান্ড স্যানিটাইজার রাখা হয়েছে।ভবেরচর ওয়াজীর আলী বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়র প্রধান শিক্ষক মোঃ আক্তার হোসেন মুন্সীগঞ্জ নিউজ ন২৪ ডট নেটকে জানান  শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে আসার আগ্রহ দেখা গেছে অনেক।  শিক্ষার্থীরা ও অনেক খুশি।

বৈদ্দারগাও হাজী কেরামত আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সভাপতি আজীম উদ্দিন ফরাজী বলেন

১.স্কুল ড্রেস ও মাস্ক পড়ে স্কুলে আসবে।

২.স্কুলে এসে প্রয়োজন ছাড়া মাস্ক খুলবে না।
৩.স্কুলে প্রবেশ করেই সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে শ্রেণিকক্ষে প্রবেশ করবে।
৪. প্রতি বেঞ্চে দুই জন করে বসবে, প্রয়োজন ছাড়া বাহিরে বের হবে না।
৫.জ্বর, ঠান্ডা বা অসুস্থ শরিল নিয়ে স্কুলে আসবে না।
মনে রাখতে হবে একজন অসুস্থ হলে সম্পূর্ন স্কুল বন্ধ হয়ে যেতে পারে। তাই স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলবো,সবাই মিলে সুস্থ থাকবো।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বলেন, এটি অবশ্যই আনন্দের বিষয়।

স্কুল কলেজ ও  বিশ্ববিদ্যালয়গুলোও গত বছরের ১৭ মার্চ থেকে বন্ধ হয়ে যায়। মে মাস থেকে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে অনলাইনে ক্লাস-পরীক্ষা ও জুলাই মাস থেকে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে অনলাইন ক্লাস শুরু হয়। কিন্তু প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম না থাকা, দুর্বল ও ধীরগতির ইন্টারনেট এবং ইন্টারনেটের উচ্চমূল্যের কারণে বেশিরভাগ শিক্ষার্থীর পক্ষেই অনলাইন ক্লাস করা সম্ভব হয়নি। এ কারণেও অনেকটা পিছিয়ে ছিল প্রান্তিক শিক্ষার্থীরা।

 

Print Friendly, PDF & Email

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.