মুন্সীগঞ্জ জেলা // উপজেলা আওয়ামী লীগে অনেক নতুন মুখ আসতে পারে –মোঃ মহিউদ্দিন

0

এস এম নাসির উদ্দিন ##  বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি বঙ্গবন্ধুর কন্যা  গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মানণীয় প্রধানমন্ত্রী  জননেত্রী শেখ হাসিনা সারা দেশব্যাপী শুদ্ধি অভিযান চালিয়ে যাচ্ছেন, তারই ফলশ্রুতিতে আওয়ামী লীগ এর আগামী ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে নতুন কমিটি গঠনে পরিক্ষিত ক্লিন ইমেজের পরীক্ষিতদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে বলে জানা যায়। মাদকের সাথে জড়িত, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, দুর্নীতিপরায়ণ লোকদের কমিটিতে স্থান দেওয়া হবে না।সংগঠনের প্রতি আনুগত্যশিল ত্যাগী মেধাসম্পূর্ণ যোগ্যদের নিয়ে কমিটি গঠন করা হবে বলে জানা যায়।

ইতিমধ্যে দেশের সকল জেলায় ওয়ার্ড,ইউনিয়ন, পৌরসভা পর্যায় ত্রিবার্ষিক সম্মেলনের মাধ্যমে উৎসাহ উদ্দিপনার মধ্য দিয়ে কমিটি গঠন প্রক্রিয়া এগিয়ে যাচ্ছে। আগামি ১০ই ডিসেম্বরের-২০১৯ এর মধ্যে জেলা/উপজেলা সম্মেলন শেষ করে কেন্দ্রীয় কমিটির কাছে সকল কমিটি জমা দিতে হবে।তাই কমিটি গঠন প্রক্রিয়া দ্রুত এগিয়ে চলছে।মুন্সীগঞ্জ জেলার প্রতিটি উপজেলার অধিন ওয়ার্ড ও ইউনিয়নসমুহের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন এর মধ্যদিয়ে কমিটি গঠন প্রক্রিয়া দ্রুত এগিয়ে চলছে।উপজেলা/ পৌরসভার ত্রিবার্ষিক সম্মেলন শেষ করে ১০ই ডিসেম্বরের পূর্বেই জেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন এর মধ্য দিয়ে কমিটি গঠন প্রক্রিয়া শেষ করতে হবে।

এই বিষয় মুন্সীগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান, বঙ্গবন্ধুর চীফ সিকিউরিটি অফিসার আলহাজ্ব মোঃ মহিউদ্দিন বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারন সম্পাদক এর নির্দেশনা মতে এবং গঠনতন্ত্রের আলোকে জেলার বিভিন্ন পর্যায়ের কমিটিসমুহ গঠন প্রক্রিয়া এগিয়ে চলছে, কমিটি গঠনে কোন অনিয়ম হলে, এই বিষয় অভিযোগ পাওয়া গেলে দ্রুত তার সমাধানে জেলা আওয়ামী লীগ সাধারন সম্পাদক্-কে প্রধান করে, জেলা আওয়ামী লীগের দুই যুগ্ম সাধারন সম্পাদক এবং সাংগঠনিক সম্পাদক-কে নিয়ে চার সদস্য বিশিষ্ট মনিটরিং কমিটি গঠন করা হয়েছে।

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভাপতি বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নীতিগত সিদ্ধান্তের আলোকে আমরা তৃণমূল নেতৃবৃন্দকে অবহিত করেছি কমিটি গঠনের সময় লক্ষ্য রাখতে হবে যাতে করে কোন দুর্নীতিবাজ, স্বাধীনতা বিরোধী, যুদ্ধাপরাধী ও বঙ্গবন্ধুর খুনিদের পরিবারের সসস্যরা এবং মাদকের সাথে জড়িত, চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসীরা আওয়ামী লীগের কমিটিতে জায়গা না পায়। তাছারা যারা নতুন সদস্য পদ গ্রহন করেছে, সদস্য পদের মেয়াদ এক বৎসর পার হয়নি তারা কমিটিতে স্থান পাবে না, ইতিমধ্যে যারা ইউনিয়ন/পৌরসভা নির্বাচনে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়ে কমিটির পদ হারিয়েছেন তারাও কমিটিতে জায়গা পাবে না। যারা বিভিন্ন আন্দোলন, সংগ্রাম ও বিভিন্ন কর্মসূচী পালনে অবদান রেখেছেন সেই সব পরীক্ষিত নেতা কর্মীদের অগ্রাধিকার দিয়ে কমিটি গঠন করা হবে।

তিনি আরও বলেন মুন্সীগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগ কমিটি কিছু গুরুপ্তপুন্ন পদের লোক মারা গেছে, সেই সব পদ নতুন লোক আসবে এবং অন্যান্য পদেও সৎ ও যোগ্যতাসম্পূর্ণ লোকদের নেওয়া হবে। যারা জেলা/উপজেলা কমিটির বিভিন্ন পদে থেকে যথাযথভাবে দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছেন তাদের বাদ পরার সম্ভাবনা আছে। তবে আগামীতে পুরাতন এবং নতুনদের নিয়ে একটি স্বচ্ছ গ্রহণযোগ্য কমিটি কাউন্সিলারদের নিয়ে বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনাকে উপহার দিব।

শেখ হাসিনা সারা দেশব্যাপী শুদ্ধি অভিযান চালিয়ে যাচ্ছেন, তারই ফলশ্রুতিতে আওয়ামী লীগ এর আগামী ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে নতুন কমিটি গঠনে পরিক্ষিত ক্লিন ইমেজের পরীক্ষিতদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে বলে জানা যায়। মাদকের সাথে জড়িত, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, দুর্নীতিপরায়ণ লোকদের কমিটিতে স্থান দেওয়া হবে না।সংগঠনের প্রতি আনুগত্যশিল ত্যাগী মেধাসম্পূর্ণ যোগ্যদের নিয়ে কমিটি গঠন করা হবে বলে জানা যায়।

ইতিমধ্যে দেশের সকল জেলায় ওয়ার্ড,ইউনিয়ন, পৌরসভা পর্যায় ত্রিবার্ষিক সম্মেলনের মাধ্যমে উৎসাহ উদ্দিপনার মধ্য দিয়ে কমিটি গঠন প্রক্রিয়া এগিয়ে যাচ্ছে। আগামি ১০ই ডিসেম্বরের-২০১৯ এর মধ্যে জেলা/উপজেলা সম্মেলন শেষ করে কেন্দ্রীয় কমিটির কাছে সকল কমিটি জমা দিতে হবে।তাই কমিটি গঠন প্রক্রিয়া দ্রুত এগিয়ে চলছে।

মুন্সীগঞ্জ জেলার প্রতিটি উপজেলার অধিন ওয়ার্ড ও ইউনিয়নসমুহের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন এর মধ্যদিয়ে কমিটি গঠন প্রক্রিয়া দ্রুত এগিয়ে চলছে।উপজেলা/ পৌরসভার ত্রিবার্ষিক সম্মেলন শেষ করে ১০ই ডিসেম্বরের পূর্বেই জেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন এর মধ্য দিয়ে কমিটি গঠন প্রক্রিয়া শেষ করতে হবে।

এই বিষয় মুন্সীগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান, বঙ্গবন্ধুর চীফ সিকিউরিটি অফিসার আলহাজ্ব মোঃ মহিউদ্দিন বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারন সম্পাদক এর নির্দেশনা মতে এবং গঠনতন্ত্রের আলোকে জেলার বিভিন্ন পর্যায়ের কমিটিসমুহ গঠন প্রক্রিয়া এগিয়ে চলছে, কমিটি গঠনে কোন অনিয়ম হলে, এই বিষয় অভিযোগ পাওয়া গেলে দ্রুত তার সমাধানে জেলা আওয়ামী লীগ সাধারন সম্পাদক্-কে প্রধান করে, জেলা আওয়ামী লীগের দুই যুগ্ম সাধারন সম্পাদক এবং সাংগঠনিক সম্পাদক-কে নিয়ে চার সদস্য বিশিষ্ট মনিটরিং কমিটি গঠন করা হয়েছে।

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভাপতি বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নীতিগত সিদ্ধান্তের আলোকে আমরা তৃণমূল নেতৃবৃন্দকে অবহিত করেছি কমিটি গঠনের সময় লক্ষ্য রাখতে হবে যাতে করে কোন দুর্নীতিবাজ, স্বাধীনতা বিরোধী, যুদ্ধাপরাধী ও বঙ্গবন্ধুর খুনিদের পরিবারের সসস্যরা এবং মাদকের সাথে জড়িত, চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসীরা আওয়ামী লীগের কমিটিতে জায়গা না পায়। তাছারা যারা নতুন সদস্য পদ গ্রহন করেছে, সদস্য পদের মেয়াদ এক বৎসর পার হয়নি তারা কমিটিতে স্থান পাবে না, ইতিমধ্যে যারা ইউনিয়ন/পৌরসভা নির্বাচনে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়ে কমিটির পদ হারিয়েছেন তারাও কমিটিতে জায়গা পাবে না। যারা বিভিন্ন আন্দোলন, সংগ্রাম ও বিভিন্ন কর্মসূচী পালনে অবদান রেখেছেন সেই সব পরীক্ষিত নেতা কর্মীদের অগ্রাধিকার দিয়ে কমিটি গঠন করা হবে।

তিনি আরও বলেন মুন্সীগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগ কমিটি কিছু গুরুপ্তপুন্ন পদের লোক মারা গেছে, সেই সব পদ নতুন লোক আসবে এবং অন্যান্য পদেও সৎ ও যোগ্যতাসম্পূর্ণ লোকদের নেওয়া হবে। যারা জেলা/উপজেলা কমিটির বিভিন্ন পদে থেকে যথাযথভাবে দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছেন তাদের বাদ পরার সম্ভাবনা আছে। তবে আগামীতে পুরাতন এবং নতুনদের নিয়ে একটি স্বচ্ছ গ্রহণযোগ্য কমিটি কাউন্সিলারদের নিয়ে বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনাকে উপহার দিব।

####

অনুরোধ খবর টি ভাল লাগলে অবশ্যই শেযার করবেন

 

Print Friendly, PDF & Email

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.